SSC Result 2016 | www.educationboardresults.gov.bd

Standard

SSC Result 2016 Bangladesh education Board result 2016. You can get your SSC Result 2016 first from Here. this is the Best Education board result site for all Bangladesh education board student. SSC Result date 2016 will announced by Bangladesh education board. This site Bangladesh education board result site such as http://educationboardresults.gov.bd site alternative source blog. You can get your SSC Result 2016 this site very easily just follow bellow steps.

SSC Board Result 2016 | www.educationboardresults.gov.bd

SSC Result 2016 will be published on 2nd week of may 2016. This exam date provide by Bangladesh education board. informed by Bangladesh education minister nurul islam nahid. So You can get your SSC Result 2016 first from here. if you want to get your SSC Result 2016 form here. Please click any of the support button like that twitter, Google+ or facebook. Flow social media button also like to unlock the result from to check your SSC Result 2016 very easy.

SSC Result 2016 | SSC Result Online

  • Dhaka education board result.
  • Comilla education board results.
  • Rajshahi education board results.
  • Jessore education board results.
  • Chittagong education board results.
  • Barisal education board results.
  • Sylhet education board results.
  • Dinajpur education board results.
  • Madrasah education board results.
  • Technical education board results.

SSC Result 2016. Bangladesh Education Board Official site will be Busy when SSC Result 2016 all education Board Result Published. So any student can’t to do Find or Check his SSC Result easily. So we are provide another option or facility with you such as get Easily Find or Check you your SSC Result 2016. So follow bellow way and get your SSC Result 2016 very easily.

Check your SSC Result 2016 – SSC Online Result in Bangladesh Education Board :

SMS Method – How to check SSC Result 2016 from mobile SMS ?

Get your SSC Result 2016 use method of your mobile phone sms very easy. First you have go to message option in your mobile phone and type:

SSC/Alim<space>first three latters of your education board name<space>Roll no<space>2016 and send to 16222.

Example for SSC students: SSC DHA 273605 2016 and send it 16222.

Example for Alim Students : Alim MAD 273605 2016 send it 16222

Bangladesh education board code name | Education board result :

DHA = Dhaka education board result.

COM = Comilla education board.

CHI = Chittagong education board.

RAJ = Rajshahi education board.

BAR = Barisal education board.

SYL = Sylhet education board.

JES = Jessore education board.

DIN = Dinajpur education board.

TECH = Technical education board.

MAD = Madrasah education board.

Download Bangladesh education board result 2016:-

SSC Exam Result 2016 Dhaka education board result. SSC Exam Result 2016 comilla education board result. SSC Exam Result 2016 Rajshahi education board result. SSC Result 2016 chittagong education board result. SSC Exam Result 2016 Barisal education board result. SSC Exam Result 2016 Technical education board result. SSC Result 2016 Jessore education board result. SSC Result 2016 Dinajpur education board result. SSC Result 2016 Madrasah education board result.

SSC Result 2016 full with mark sheet

SSC Result 2016 with full mark-sheet from here

=>Download SSC Result 2016 All Education Board in Bangladesh.

Looking For?

SSC Result, SSC Results, SSC Result 2015. SSC Result 2015 Bangladesh, Education Board Result. Education Board Results, Bangladesh education board result. Dhaka education Board Result. SSC Result bd. SSC Result declaration. SSC online Result. SSC Result online. SSC Result, SSC Results, Educationboardresult. Education board results, ssc Result com. www ssc result com. education board result bd 2015. Dhaka education board result 2015. SSC board result, ssc exam result, ssc result date, Ssc Result, www Ssc result.

যদি হতে চান বাচন ও ভাষা চিকিৎসক

Standard

ইউরোপ-আমেরিকায় পরিচিত হলেও ‘কমিউনিকেশন ডিসঅর্ডারস’ বিভাগটি বাংলাদেশে চালু হয়েছে সম্প্রতি। ‘সামাজিক জীব হিসেবে মানুষ যোগাযোগ বা সংজ্ঞাপনের মাধ্যমেই অন্যের কাছে তার আবেগ, সংবেদন, প্রয়োজন, বাসনা বা ইচ্ছাকে প্রতিনিয়ত তুলে ধরে। কিন্তু প্রতিটি ভাষিক সমাজেই এমন কিছু মানুষ রয়েছে যাদের এ ধরনের যোগাযোগে রয়েছে নানা ধরনের অক্ষমতা, বিকার বা বৈকল্য। এই ব্যার্থতার স্বরূপ সন্ধানসহ তার প্রতিবিধান করে একে সহনীয় মাত্রায় নিয়ে এসে তাদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার জন্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হয়েছে নতুন বিভাগ “কমিউনিকেশন ডিসঅর্ডারস” বা “যোগাযোগ বৈকল্য”।’ এভাবেই নতুন এই বিষয়টিকে পরিচয় করিয়ে দিলেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাকিম আরিফ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাগে বর্তমানে দুই বছর মেয়াদি একটি পেশাগত মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু আছে। ভবিষ্যতে ভাষা ও বাচন চিকিত্সক হিসেবে কাজ করার জন্য এই প্রোগ্রামে বিভিন্ন বিষয়ের ছাত্রছাত্রীসহ ১২ জন এমবিবিএস ডাক্তার পড়ছেন। এ বছরও প্রথম বর্ষ স্নাতক পর্যায়ে ৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। তাই উচ্চমাধ্যমিক পেরিয়ে যেসব শিক্ষার্থী নিজেদের ভবিষ্যতের বাচন ও ভাষা চিকিত্সক হিসেবে গড়ে তুলতে চান তাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কমিউনিকেশন ডিসঅর্ডারস’ বিভাগে ভর্তি হতে পারেন। ভর্তি পরীক্ষায় ‘ঘ’ ইউনিটের মাধ্যমে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাসকৃত শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ‘জীববিজ্ঞান’ বিষয় থাকতে হবে। আর ‘খ’ ইউনিটে যাঁরা নির্বাচিত হয়েছে, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে মনোবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান অথবা সমাজকল্যাণ বিষয় থাকতে হবে। এ ছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় ‘বাংলা’ ও ‘ইংরেজি’ বিষয়ে কমপক্ষে ১২ নম্বর পেতে হবে।

বিষয়বৈচিত্র্য
এই বিভাগে ভাষাবিজ্ঞান ও যোগাযোগশাস্ত্রের বিভিন্ন মৌলিক বিষয় যেমন পড়ানো হয়, তেমনি এতে অন্তর্ভুক্ত আছে অ্যানাটমি ও ফিজিওলজিসহ স্নায়ুতত্ত্ব-বিষয়ক বিভিন্ন কোর্স। এ ছাড়া শিশু ও বয়স্কদের বিভিন্ন বাচন ও ভাষা বৈকল্যবিষয়ক কোর্স, যেমন: অটিজম, অ্যাফেজিয়া, পাঠবৈকল্য, লিখনবৈকল্য, তোতলামি, শ্রবণ-সমস্যা ইত্যাদি বিষয়ে পড়ার সুযোগও এখানে রয়েছে। বৈকল্য সম্বন্ধে তত্ত্বীয় জ্ঞান লাভের পাশাপাশি বিভিন্ন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে রোগী দেখেও শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।

চাকরির সুযোগ
‘কমিউনিকেশন ডিসঅর্ডার’ শিক্ষার্থীরা ‘বাচন ও ভাষাথেরাপি বা চিকিত্সা’ সনদ পাবেন। এই ডিগ্রি বাইরের দেশগুলোতে বেশ প্রচলিত। তাই এই বিভাগ থেকে পাস করে শিক্ষার্থীরা দেশের পাশাপাশি বিদেশেও ও ভাষা চিকিত্সক হিসেবে কাজ করতে পারবেন। স্কুল ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানেও বাচন ও ভাষা চিকিত্সক হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

বিদেশে পড়ার সুযোগ
ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাচন ও ভাষা চিকিত্সায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পাঠদান ও গবেষণা হয়। ফলে এই বিভাগ থেকে পাস করে ইংল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, সুইডেনসহ পৃথিবীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়া ও গবেষণা করা যায়।

নম্বর, নাকি শিখতে চাই?

Standard

নম্বর মুখ্য নয়

আমার মনে হয় নম্বর পাওয়ার প্রতিযোগিতাটা আসলে স্কুল-কলেজ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয়-জীবনে এসে কেউ নম্বরের জন্য পড়ে না। কারণ, এখানে ক্লাসরুমের বাইরেই আমরা বেশি শিখি। তাই নম্বরটা মুখ্য নয়, শেখাটাই মুখ্য আমার কাছে।
মাইশা ফারজানা আহমেদ
সমাজকর্ম বিভাগ, তৃতীয় সেমিস্টার, শাবিপ্রবি
শিক্ষা ছাড়া নম্বরের মূল্য নেই
পড়াশোনা অবশ্যই শেখার জন্য। নম্বর যে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তাতেও কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু পড়াশোনার ক্ষেত্রে শেখার বা জ্ঞান লাভ করার বিষয়টাই মুখ্য। নম্বর পাওয়াটা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার একটি মানদণ্ড, তাই এটি অনেকটা গুরুত্ব বহন করে। তবে শিক্ষা ছাড়া নম্বরের কোনো মূল্য নেই।
অভিক নন্দী
বিবিএ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
শুরুতে নম্বরটাই কাজে লাগে
জটিল প্রশ্ন! এ ক্ষেত্রে আমার কৌশলটা একটু ভিন্ন। আমি ভবিষ্যতে যে বিষয়কে কেন্দ্র করে কর্মজীবন শুরু করতে চাই, সে বিষয়টা ভালোভাবে শিখতে চাই। যেমন মার্কেটিং। ভবিষ্যতে যেহেতু মার্কেটিংয়ে পেশা গড়তে চাই, তাই এখন থেকে এ বিষয়টা ভালোভাবে শিখছি। এখানে নম্বর পাওয়াটা মূল বিষয় নয়। এ ছাড়া অন্যান্য বিষয় পড়ি মূলত নম্বর পাওয়ার জন্যই। কারণ, পড়ালেখা শেষ হলে শুরুতে নম্বরটাই কাজে লাগে।
নাহিদ ফারজানা
বিবিএ, তৃতীয় বর্ষ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
নম্বর পাওয়ার জন্যই পড়ি
ভণিতা না করে সরাসরিই বলি, আমি নম্বর পাওয়ার জন্যই পড়ি। কারণ, আমার পেশাগত জীবনে নম্বরটাই কাজে দেবে। আর শেখার কথা বলছেন? সেটা পাঠ্যবইয়ের বাইরের জগৎ থেকেই বেশি শিখতে পারি।
ফাতেমা আক্তার
এলএলবি ১ম বর্ষ,
সেন্ট্রাল ল কলেজ, ঢাকা।
এগিয়ে থাকতে চাই
বর্তমান সময়ে নিজেকে টিকিয়ে রাখার জন্য, সবার থেকে নিজেকে খানিকটা এগিয়ে রাখার জন্য আমরা মূলত নম্বরের জন্য পড়ি, শেখার জন্য পড়ি না। তবে এর ব্যতিক্রমও কিছু মানুষ আছে, যারা জানার জন্য পড়ে, কিছু শেখার জন্য পড়ে। আমি মূলত শেখার জন্যই পড়ি।
নিশাত ইসলাম
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
অল্প পড়ে সেটুকুই কাজে লাগানো যায়
আমি পড়ি নতুন কিছু বিষয় সম্পর্কে জানা ও শেখার জন্য। অনেক পড়লাম, জানলাম কিন্তু কিছু শিখতে পারলাম না, সেই পড়া বা জানায় কোনো লাভ আছে বলে মনে করি না। বরং অল্প পড়ে যদি সেটুকুই কাজে লাগানো যায়, সেটাই আমার কাছে মনে হয় সত্যিকারের সফলতা।
মো. রায়হানুল ইকবাল
তৃতীয় বর্ষ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
সবাই মুখে বলে শেখার জন্য পড়ি
দেশের প্রায় সব শিক্ষার্থীর চিন্তা চাকরি পেতে বেশি নম্বর লাগবে। এখানে তাদের কাছে শেখার প্রশ্নটি গৌণ। যদিও সবাই মুখে বলে শেখার জন্য পড়ি, পরক্ষণে নম্বরের বিষয়টি সামনে থাকে। চাকরির বাজারে কে কতুটুকু শিখেছে তা জানা হয় না। এখানে শেখার প্রশ্ন হাজার মাইল দূরে। আমিও এদের ব্যতিক্রম নই।
ইমরান শুভ্র
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
শখের কাজগুলোও চলছে
আমার আগ্রহ ছিল প্রোগ্রামিং আর ইলেকট্রনিকস নিয়ে। সুযোগ পাইনি বলে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি। ক্লাস করি, পরীক্ষা দিই, পাশাপাশি আমার শখের কাজগুলোও চলছে। স্যারদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করি। এখন যেমন থিসিস করছি কম টাকায় কীভাবে ভূমিকম্প পরিমাপের যন্ত্র তৈরি করা যায়, তার ওপর। চাকরির ক্ষেত্রে নম্বর কাজে লাগবে, নাকি শেখাটা কাজে আসবে, এসব নিয়ে ভাবছি না। এখন যা করছি, আনন্দ নিয়েই করছি। সনদ ছাড়া কিছুই কাজে আসবে না, এটাও ঠিক।
মো. রিজওয়ানুল ইসলাম
পুরকৌশল বিভাগ, শেষ বর্ষ, বুয়েট
বিজয়ী হয় তারা যারা শেখার জন্য পড়ে
নম্বরের জন্য পড়লে হয়তো ভাগ্যক্রমে দুই একটা পরীক্ষা ভালো হয়েও যেতে পারে। কিন্তু তারাই চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজয়ী হয়, যারা শেখার জন্য পড়ে, উপলব্ধি করে এবং জ্ঞানটাকে নিজের ভেতর ধারণ করার চেষ্টা করে।
নওরিন প্রমা
ফার্মেসি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
নম্বরের জন্য পড়ি না
উত্তরটা জনে জনে ভিন্ন। যেমন আমি নিজে নম্বরের জন্য পড়ি না। যদি নম্বর পাওয়ার জন্যই পড়ি, তবে ক্লাসে দেওয়া কিছু নোট পড়লেই ভালো সিজিপিএ পাওয়া যেত। কিন্তু এইটুকু সম্বল দিয়ে জীবনে কিছুই করা যাবে না।
জান্নাতুল ফেরদৌস
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
নম্বরের জন্য পড়লে ক্ষতি কী?
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এবং আমাদের চাকরির বাজার আমাদের নম্বরের জন্য পড়তে বাধ্য করে। আর নম্বরের জন্য পড়লে আসলে খুব একটা ক্ষতি হয় না, বরং লাভই হয়। নম্বরের জন্য পড়লে বিষয়টা জানাও হয় আবার রেজাল্টও ভালো হয়।
সাজ্জাদ হোসাইন
সিভিলি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, চতুর্থ বর্ষ, ডুয়েট
শিক্ষাব্যবস্থাই ত্রুটিপূর্ণ
শিক্ষার্থীরা নম্বর পাওয়ার জন্য পড়ে নাকি শেখার জন্য, এই প্রশ্নই তোলার অবকাশ থাকত না যদি না আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এতটা ত্রুটিপূর্ণ হতো। শিখতে গেলে শিক্ষকের মন রাখতে পারি না আবার নম্বর পেতে গেলে আদৌ কিছু শিখব এই চিন্তা করার অবকাশটুকুই পাই না। তবে আমি মূলত শেখার জন্যই পড়ি।
ফাহমিদা হক মজুমদার
অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

তরুণদের কাজের সুযোগ দেওয়া উচিত
মোহাম্মদ কায়কোবাদমোহাম্মদ কায়কোবাদ
অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকৃতপক্ষে শিক্ষায় উৎকর্ষ অর্জন করতে না পারলে দেশের দামি কাজগুলো আমাদের ভাগ্যে জুটবে না। জিপিএ পদ্ধতি বাংলাদেশে যেভাবে প্রবর্তিত হয়েছে তা শিক্ষায় উৎকর্ষ অর্জনে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। দেশে প্রচুর কারখানা স্থাপন করা উচিত যাতে বিজ্ঞানশিক্ষা কার্যক্রম জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। দেশের উৎপাদিত পণ্য ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া উচিত। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা উচিত। যত্রতত্র বিদেশি পরামর্শকদের বোঝা দেশের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। তরুণদের কাজের সুযোগ দেওয়া উচিত। তাঁদের ওপর আস্থা স্থাপন করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে।

শেখা ব্যাপারটা নিজের কাছে
সময়টা এখন প্রতিযোগিতার। চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা আরও বেশি। এখন তো অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে সিজিপিএ উল্লেখ করে দেয়। যেমন ৪-এর স্কেলে ৩ দশমিক ৫ থাকতে হবে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান আবার শিক্ষাজীবনে চারটি ফার্স্ট ক্লাস চায়। এসব বিবেচনা করে আমি আসলে নম্বর পাওয়ার দিকেই বেশি গুরুত্ব দিই। আর শেখা ব্যাপারটা নিজের কাছে। আমার মনে হয়, পাঠ্যবই থেকেই শিখতে হবে তার কোনো মানে নেই। সমগ্র পৃথিবীই আমার পাঠশালা। আর সেখানে সবার আমি ছাত্র।
নিশাত শারমিন
এমবিএ, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি
সার্টিফিকেট দিয়ে সংকট মোকাবিলা করা যায় না
এটা সত্যি যে আমার বেশির ভাগ বন্ধুই শুধু পরীক্ষার খাতায় নম্বর পাওয়ার জন্য পড়ে। তারা মনে করে, রেজাল্ট ভালো করাটাই শিক্ষাজীবনের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু আমার মনে হয়, পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়ার উদ্দেশ্যে পড়লে সেই পড়াটা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। পরীক্ষার খাতায় লেখার পরপরই সেটা মাথা থেকে চলে যায়। কিন্তু শেখার উদ্দেশ্যে পড়লে সেই পড়া সারাজীবন মনে থাকে এবং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজেও লাগে। আমি তাই শেখার উদ্দেশ্যেই পড়ি। কয়েকটা সার্টিফিকেট দিয়ে নিশ্চয় জীবনের সব সংকট মোকাবিলা করা যায় না। জীবনকে পরিপূর্ণতা দিতে চাইলে পাঠ্যবইয়ের শিক্ষাটা আত্মস্থ করা জরুরি।
ফাহমিনা খন্দকার
আইন বিভাগ, প্রথম বর্ষ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
পাস নম্বর পেতেও পড়তে হয়
শেখার জন্যই বেশি পড়ি। কিন্তু পাস নম্বর পেতেও পড়তে হয়।
এনভিল চাকমা টং
রাঙামাটি সরকারি কলেজ
গ্রন্থনা: মারুফ ইসলাম ও সজীব মিয়া

ইউজিসিই প্রশ্ন তুলেছে উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে

Standard

উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে খোদ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বলা হচ্ছে, যদিও উচ্চশিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটছে, তবু শিক্ষার প্রত্যাশিত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

ইউজিসি বলছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মাস্টার্স পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার কাঙ্ক্ষিত গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। সত্যিকারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চমানের শিক্ষালাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। কমিশনের ৪১ তম বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব বিষয় উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদনটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।

কমিশনের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘দেশের কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, বিশেষ করে কতিপয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনের কলেজ থেকে পাস করা স্নাতকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। যদিও উচ্চশিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটছে, তবু শিক্ষার প্রত্যাশিত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।’

জানতে চাইলে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, যেসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীর মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, সেখানের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে, এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবী ও অভিজ্ঞ শিক্ষক নেই। এর দুটি কারণ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, শিক্ষকতা পেশায় আর মেধাবীরা আসছেন না। অন্য কারণটি হচ্ছে, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেরাই মেধাবী ও অভিজ্ঞ শিক্ষক নিতে অনীহা প্রকাশ করছে। অভিজ্ঞ ও মেধাবী শিক্ষক নিলে তাঁর খরচও বেড়ে যাবে। এভাবে মেধাবী ও অভিজ্ঞ শিক্ষক না থাকার কারণে সেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলে মনে করেন তিনি। ইউজিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কারিকুলাম (পাঠ্যসূচি) যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত হওয়া বাঞ্ছনীয়।

প্রতিবেদনে মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষাকার্যক্রম সবার জন্য উন্মুক্ত না করে কেবলমাত্র বাছাই করা মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্য পরিচালনা করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যেহেতু চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি ‘প্রান্তিক ডিগ্রি’ হিসেবে গণ্য করা হয়, সেহেতু মাস্টার্স পর্যায়ে শিক্ষাকার্যক্রম কেবলমাত্র বাছাই করা মেধাবী স্নাতকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা কাম্য। কিন্তু কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এই নীতি অনুসরণ করছে না। এতে মাস্টার্স পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার কাঙ্ক্ষিত গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না এবং সত্যিকারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চমানের শিক্ষালাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেক সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এবং যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক না থাকা সত্ত্বেও মাস্টার্স ডিগ্রি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

ইউজিসিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে টাকার বিনিময়ে সনদপত্র বিক্রি করে। এ বিষয়ে ইউজিসি একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনেক কলেজে প্রয়োজন অনুসারে শিক্ষক পর্যন্ত নেই। এতে শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে তেমন শেখার সুযোগ পান না।

ইউজিসির সুপারিশে বলা হয়েছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুয়ায়ী ‘অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল’ গঠনের জন্য একটি খসড়া নীতিমালা কমিশন থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এই নীতিমালা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনে সংশোধন করতে সরকারের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিশনের প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা প্রমাণে নিজস্ব বিষয় ছাড়াও তিনটি বিষয়ে পারদর্শিতা থাকার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এসব বিষয় হচ্ছে—ইংরেজি ভাষার দক্ষতা, লিখিত ও মৌখিকভাবে নিজস্ব চিন্তা উপস্থাপনের ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা। শিক্ষার্থীরা যাতে এসব বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন, এ জন্য পাঠ্যরসূচির সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান সংযোজন করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরামর্শ দিয়েছে ইউজিসি।

মাস্টার্স ১ম পর্ব ভর্তির ১ম মেধা তালিকা প্রকাশ

Standard

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স ১ম পর্বে (নিয়মিত) ভর্তির ১ম মেধা তালিকা আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.nu.edu.bd) পাওয়া যাবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।